Home » সংবাদ শিরোনাম » ধুনটে জোড়পূর্বক জলাশয়ের মাছ ধরার অভিযোগ
ধুনটে জোড়পূর্বক জলাশয়ের মাছ ধরার অভিযোগ

ধুনটে জোড়পূর্বক জলাশয়ের মাছ ধরার অভিযোগ

এম.এ রাশেদ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার ধুনটের বড়িয়া গ্রামে লীজকৃত জলাশয়ের জোড়পূর্বক মাছ ধরার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় মৎস্য চাষী আমিনুর রহমান প্রাং ধুনট থানায় গত ২৪-০৩-২০২০ইং তারিখে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমিনুর রহমান প্রাং, সামছুজ্জোহা বেলাল ও রজিব উদ্দিন বড়িয়া গ্রামের নুরে আলম নাবুলের নিকট হইতে পারলক্ষীপুর মৌজা খতিয়ান নং ৫১৩২, ৭৪৯/২১৭১নং দাগের ১.৭৭৫০ একর অনাবাদী নীচু জমি ও ওই জমি সংলগ্ন আরো .৯৪৫০ একর জমি বিভিন্ন জনের নিকট হতে ৩বছর মেয়াদী লীজ নিয়ে গত ১১/১০/২০১৯ইং তারিখে বড় সাইজের বিভিন্ন জাতের ২০মন মাছ অবমুক্ত করে মাছ চাষ করে আসছিলো। এমতাবস্থায় উপজেলার বড়িয়া গ্রামের কলোমুদ্দিন প্রামানিকের ছেলে জহুরুল ইসলামসহ বেশ কয়েক জন লীজ নেওয়া জলাশয় হতে জোড়পূর্বক মাছ চুরি করার জন্য নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করে আসতেছিলো।

গত ২৩/০৩/২০২০ইং তারিখে জহুরুল ইসলামসহ ১৫জনের একটি সংঘবদ্ধ দল লীজ নেওয়া জলাশয় হতে জোড়পূর্বক মাছ ধরতে থাকে। জলাশয়ের পাহাড়াদার জুয়েল ওরফে বাবু ও বিল্লুল হোসেন তখন তাদেরকে মাছ ধরতে বাঁধা নিষেধ করলে তাদেরকে মারপিট করার জন্য ধাওয়া করে। তখন পাহাড়াদারা পালিয়ে গিয়ে মৎসচাষী আমিনুর রহমান, সামছুজ্জোহা বেলাল ও রজিব উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে মৎস ব্যবসায়ী আমিনুর রহমান, সামছুজ্জোহা বেলাল ও রজিব উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে মাছ ধরতে নিষেধ করলে তাদেরও লাঠি, রামদা, শাবল ও হাসুয়া দিয়ে মারার জন্য ধাওয়া করলে তারা প্রাণের ভয়ে পালিয়ে যায়।

অভিযোগ কারী আমিনুর রহমান জানান, আমাদের লীজ নেওয়া জলাশয় হইতে জোড়পূর্বক ভাবে বিভিন্ন জাতের ৭০মন মাছ তারা ধরে নিয়ে গেছে। এতে আমাদের প্রায় ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতি সাধন হয়েছে। এঘটনায় আমি ধুনট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। ধুনট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

BIGTheme.net • Free Website Templates - Downlaod Full Themes
Scroll Up
error: Content is protected !!