উল্লাপাড়ার বিল সূর্য শাখা খালে অপরিকল্পিত কালভার্ট কাজে আসছে না স্থানীয়দের

রায়হান আলী উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সরকারি অর্থে চলমান নদীতে কালভার্ট নির্মান করা হয়েছে যা চলাচলের জন্য কোন কাজেই আসছে না। অপরিকল্পিত এই কালভার্ট উপজেলার বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের সৈয়দপুর পাঙ্গাসী কবরস্থানের পাশে বিল সূর্য নদীর শাখা খালে নির্মান করা হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে এলজিএসপি-২ এর আওতায় কালভার্ট নির্মাণে ২ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়। এক বছর আগে কালভার্টটি নির্মান করা হলেও দুথপাশে সংযোগ সড়ক নির্মান করা হয়নি। ফলে জনসাধারণ এটি ব্যবহার করতে পারছে না।

স্থানীয়রা জানান, অপরিকল্পিত এই কালভার্টটি বর্ষার মৌসুমে প্রায় ৬ মাস পানির নিচে তলিয়ে থাকছে। দীর্ঘ এই খালে ৪ মিটার লম্বা কালভার্ট নির্মান করা হয়েছে একেবারেই অপরিকল্পিত ভাবে। এখানে সংযোগ সড়ক নিমার্ণ করা হলেও বষার্য় চলনবিলের পানির ঢেউয়ে তা কখনই টিকবে না। এই কালভার্টটি নির্মানের ফলে চলমান নদীর গতি প্রকৃতির পরিবর্তন হয়েছে।

এই ইউনিয়নের সৈয়দপুর পাঙ্গাসী, মাটিকাটা পাঙ্গাসী, চক খাদুলী ও বড় পাঙ্গাসী গ্রামের মানুষ আগের নিয়মেই নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হচ্ছে। যেখানে প্রায় ১০ মিটারের একটি ব্রিজের প্রয়োজন থাকলেও বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সরকারি অর্থ অপচয় করে মাত্র ৪ মিটার দৈর্ঘ্যের এই কালভার্টটি নির্মান করে দায় মুক্ত হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ।

স্থানীয় বাসিন্দা জিল্লুর রহমান, রহিজ উদ্দিন, বাবলু প্রামানিক ও আব্দুর রহিম জানান, চলনবিল অধ্যু ষিত বড় পাঙ্গাসী ইউনিয়নের অবস্থান নিচু এলাকায় হওয়ায় বছরের ৬ মাস সেখানে পানিতে ডুবে থাকে। এসময় নৌকাই তাদের চলাচলের একমাত্র বাহন হিসেবে বিবেচিত। বিল সূর্য শাখা খালে নির্মিত এই কালভার্টটি বছরের বেশির ভাগ সময় থাকে পানির নিচে। সংযোগ সড়ক না থাকায় কোন কাজেই আসছে না। তিনি আরো জানান এখানে কালভার্ট নয়।

এ বিষয়ে বড়পাঙ্গাসী ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ন কবির লিটন জানান, ব্রিজ নির্মানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি তাই আপাততঃ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কালভার্ট নির্মান করা হয়েছে। এবছরের খরা মৌসুমে মাটি ভরাট করে সংযোগ সড়ক নির্মান করা হবে।