সাঈদুর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রামঃচন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার বুকের মাঝে প্রবাহিত সাঙ্গু নদী ।এ নদীর উভয় তীরের মাটি খুবই উর্বর।সারা বছর নদীর উভয় তীরে নানান রকম সবজী ও কৃষিজাত পণ্য  চাষ করেন এখানকার কৃষকরা।এখানকার জমির মাটি উর্বর হওয়ায় খুব ভালো সবজী ও কৃষিজাত পণ্য  উৎপন্ন হয়ে থাকে ।
এখানে উৎপাদিত সবজী ও কৃষিজাত পণ্য স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের সবজী চাহিদা পূরণে সাহায্য করে থাকে।তবে বেশিরভাগ সময় কৃষকরা তাদের ফসলের নায্য মূল্য পায় না ।ফলে হতাশ হয়ে  দিন দিন কৃষকরা কৃষিকাজ থেকে বিমুখ হয়ে পড়ছে ।স্থানীয় কৃষকেরা জানান ,আমরা এত কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করি ।কিন্তু বেশিরভাগ সময় আমরা ফসলের নায্য মূল্য পায় না।কিন্তু আমাদের উৎপাদিত পণ্যগুলো  কাচা হওয়ায় সংরক্ষণ করা যায় না।ফলে এগুলো সহজে নষ্ট হয়ে যায় ।আমাদের ফসলগুলো যদি সংরক্ষণ করা যায় ,তাহলে আমরা এগুলো  সংরক্ষণের মাধ্যমে সঠিক সময়ে নায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারতাম ।তাই সরকারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন থাকবে চন্দনাইশ-সাতকানিয়ার মাঝামাঝি নির্দিষ্ট একটি জায়গায় সবজী সংরক্ষণের জন্য হিমাগার স্থাপন করা হোক ।এতে আমরা কৃষকরা উপকৃত হবো।
এ ব্যাপারে সাতকানিয়া উপজেলার কৃষকলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ডালু জানান ,বর্তমান সরকার কৃষকবান্ধব সরকার।এ সরকারের আমলে কৃষিতে আমূল পরিবর্তন এসেছে । তিনি আরো বলেন ,কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।এখানকার কৃষকদের অনেকদিনের দাবী ,সবজী ও কৃষিজাত পণ্য সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগার স্থাপন করা । তাই আমি একজন কৃষক নেতা হিসেবে একটি হিমাগার স্থাপনের জন্য  জোর দাবী জানাচ্ছি।  উল্লেখ্য,গত বছর দোহাজারীতে একটি সমাবেশে কৃষিমন্ত্রী কৃষিমন্ত্রী ড.মোঃ আব্দুর রাজ্জাক দোহাজারীতে সবজী ও কৃষিজাত পণ্য সংরক্ষণের  জন্য একটি হিমাগার স্থাপন করবেন বলেছিলেন ।তবুও এখানে  হিমাগার স্থাপনের জন্য কোনো রকম উদ্যোগ এখনো বাস্তবায়ন হয়নি ।